সতেরো.
অনিক একটু কেঁপে উঠল। এবং কেঁপে ওঠার কারণে কিনা কে জানে ওইজা বোর্ডে রাখা আঙুলের বাটনও কেঁপে উঠল। সে বুঝতে পারল না সে কেঁপে উঠেছে বলে বাটন কেঁপেছে নাকি বাটন কেঁপেছে বলেই সে কেঁপে উঠেছে। এই কাঁপাকাঁপি তার অন্তরে এমন কাঁপুনি ধরিয়ে দিলো যে হাতটা কেঁপে এক শব্দ থেকে আরেক শব্দের দিকে গেল এবং ওইজা বোর্ড সম্বন্ধে খুব ভালো ধারণা থাকায় অনিক বুঝতে পারল তার হাত কেঁপে ডান দিকের ইয়েস শব্দের ওপর চলে গেছে। অর্থাৎ মৃত আত্মা এই রুমে হাজির হয়েছে!
হাজির যে হয়েছে তা আত্মা কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝিয়ে দিলো। ছাদের উপরের মতোই হঠাৎ করে এক ঝলক ঠাণ্ডা হাওয়া ছুঁয়ে গেল অনিকের শরীর। অথচ তিনতলার দরজা জানালা বদ্ধ ঘরে বাতাস ঢোকার কোনো উপায় নেই। আত্মা যাতে আসতে পারে সেজন্য অনিক মাথার উপরের সিলিংফ্যানটাও অফ করেছে। হেমন্তের হিম হিম শীতে এমনিতেই ফ্যানের দরকার পড়ছে না। দমকা বাতাসে টেবিলের ওপর মোমবাতিদানে রাখা জ্বলন্ত মোমবাতিও এক ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেওয়ার মতো কে যেন নিভিয়ে দিলো এবং অনিকের গায়ে একটা ঠাণ্ডা হাওয়া লাগতে লাগল। বাতাস কোত্থেকে আসছে দেখতেই অনিক মাথার উপরে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে হতভম্ব হয়ে গেল। সিলিং ফ্যান থেকে মানুষের মতো কিছু একটা ঝুলছে। সে আর দেখল না। (চলবে)
সতেরো.অনিক একটু কেঁপে উঠল। এবং কেঁপে ওঠার কারণে কিনা কে জানে ওইজা বোর্ডে রাখা আঙুলের বাটনও কেঁপে উঠল। সে বুঝতে পারল না সে কেঁপে উঠেছে...
