তেইশ.
বেশ বড়োসড়ো আগের আমলের ভিসিআরের মতো একটা ইলেকট্রনিক বক্স, তার পাশেই আরেকটা বক্স দেখতে ঠিক প্রজেক্টরের মতোই, কারণ প্রজেক্টরের মতোই তাতে একটা বেশ বড়ো গোল প্রজেকশন লাইট প্রক্ষেপনের মতো লেন্স বসানো আছে। সেই সাথে আরেকটা জিনিস আছে, অনেকটা আগের আমলের নাইকন বা ইয়াসাকি ক্যামেরার মতো, তবে সাইজে আরেকটু বড়ো। সেই সাথে অনেকগুলো তার তোর, স্টান্ড, থ্রিপিন প্লাগ, এডাপ্টর। অনিক মুখে খাবার নিয়ে অবাক চোখে জিনিসগুলোর দিকে একবার তাকিয়ে মায়ের দিকে তাকাল, ‘আম্মু, জিনিসটা কি তা তো বুঝতে পারছি না।’
‘কোনো ম্যানুয়াল টাল দেওয়া নেই, দেখ।’
অনিক প্যাকেটটার উপর নামটা লেখা দেখে প্রথমে মনে মনে পড়ে, পরে উচ্চারণ করে পড়ে মাকে কোনোাল, ‘হলোগ্রাফিক ইমেজ ক্রিয়েটার এটা লেখা মা। মানে কি বুঝতে পারছি না।’
মা আরেকটা খাবার ছেলের মুখে গুজে দিয়ে বিড়বিড় করে বললেন, ‘তোর বাবার কাছ থেকে যে এখন জেনে নিবি তা তো হবে না। এখন তো ওকে কানেক্ট করতে পারবি না। ’
অনিক নিজেও বুঝদারের মতো মাথা নাড়ল। খাবার মুখে রেখে বিকৃত স্বরে বলল, ‘বাবা সারপ্রাইজের কথা বলেছিল। এবার বুঝেছি। বোঝা যায় না এ রকম সারপ্রাইজ। বাবা বলেছিল পার্সেল এলে কথা বলে বুঝে নিতে।’ (চলবে)
