আটাশ.
ক্যামেরাযন্ত্রের গায়ে একটা ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে, ট্যাবেও কানেকশন দেয়া যায় এবং ওখানকার স্টোরেজ করা ছবি নিয়েও কাজ করা যায়। কিন্তু সেই কাজটা কী?
মা বেরিয়ে যাওয়ার আগে অনিক আরেকবার মাকে ডেকে বলল, ‘আম্মু, তুমি বাবাকে একটা টেক্সট করে দাও না। বলো, যাতে ফ্রি হলেই যোগাযোগ করে। আর তুমিও তাড়াতাড়ি বাসায় চলে এসো।’
‘হু, বুঝেছি। তোর আর তর সইছে না।’
‘জিনিসটা কি, কিভাবে কাজ করে বুঝতে পারছি না বলেই। অজানা জিনিসের প্রতি মানুষের কৌতূহল বেশিই থাকে!’
হলোগ্রাফিকস ইমেজ ক্রিয়েটর নামটার মধ্যেই যতটুকু বোঝা যাচ্ছে তার বেশি কিছুই অনিক এতক্ষণ ধরে যন্ত্রের গায়ের ছবি দেখে কিছুই বুঝতে পারল না। শুধু এটুকু বুঝল এই তিনটে মেশিনের একটার মধ্যে ছবি ঢোকাতে হয়। তাই সেটা অ্যানালগি প্রিন্টেড বা ডিজিটালি স্টোরেড বা ছবি তুলে তৎক্ষণাৎ ঢোকানো যায়। সেই নরম্যাল টুডি ফরম্যাটের ছবিটা ওই মেশিন থেকে ভিসিআরের মতো দেখতে আরেকটা মেশিনে যায়। সেখানে কিছু বাটন টিপাটিপির পর টুডি ছবিটা থ্রিডি রূপ ধারণ করে এবং সেই থ্রিডি ছবিটা থেকে সেটা আবার হলোগ্রাফিক ছবি হয় এবং সবর্শেষ প্রজেক্টরের মতো জিনিসটা দিয়ে হলোগ্রাফিক ছবিটা কোথাও প্রক্ষেপন করলে সেটা একটা মানুষের অবয়বের মতো দেখা যায় বা এই জাতীয় কিছু একটা। (চলবে)