ত্রিশ.
আর তুই ওটা নিয়ে অত অস্থির হচ্ছিস কেন? এখন যেভাবে আছে ওভাবেই রেখে দে। রাতে তোর বাবার কাছ থেকে ডিটেলস জেনে নিস।’
‘না। এখন ওখানে রাত। ঘুমোচ্ছে। আমি টেক্সট ম্যাসেজ করে দিয়েছি। পেয়ে যাবে।
অনিক মনোক্ষুণ্ণ হলেও পরিস্থিতিটা বুঝতে পারল। জোর করে কিছু করলে তার ফল ভালো হয় না। সে শপিংব্যাগগুলো ডাইনিং টেবিলে রাখল। মা বললেন, ‘ওর মধ্যে তোর জন্য একটা স্পেশাল চানাচুরের প্যাকেট এনেছি দেখ। ক্যাশিওনাট, কিসমিস, ছোলা, কাজুবাদাম দিয়ে মিক্সড করা চানাচুর। ব্রেন ডেভেলপড হবে।’
অনিক চানাচুরের প্যাকেটটা হাতে নিলেও খোলার আগ্রহ দেখাল না। ওটা টেবিলের ওপর রেখে চলে এলো নিজের রুমে। এতগুলো ইলেকট্রনিক্স জিনিস কোথায় সেট করা যায় সেই জায়গা বের করতে হবে। পড়ার টেবিলের ওপর রাখা ছাড়া আপাতত নিরাপদ কোনো জায়গা নেই। পরীক্ষা শেষ, এখন পড়ার টেবিলটা খালিই করা যায়। পড়ার টেবিল খালি করতে গিয়েই অনিকের চোখে পড়ল গতরাতের সেই ওইজা বোর্ডের দিকে। ওইজা বোর্ডটাই আগে সরাতে বোর্ডের ওপর তাকিয়েই একটু অবাক হলো অনিক। বোর্ডের বাটন সেই ইয়েস লেখা পয়েন্টের উপরে।
(চলবে)
