একত্রিশ.
অর্থাৎ আত্মা এসেছে বা আছে। কিন্তু সে তো স্পষ্ট দেখেছিল বাটনটা স্টার্টিং পয়েন্টেই ছিল। তাহলে নড়ল কখন? দিনের বেলাতেও অনিকের বুকটা একটু কেঁপে উঠল। সে খুব সাবধানে দুহাতে ওইজাবোর্ডটাকে খোলা অবস্থায় ধরে বেডের ওপর এনে রেখে দিলো। তারপর কোনো শব্দ যাতে না হয় এমনভাবেই রিডিং টেবিলের উপরকার জিনিস খুব সাবধানতার সাথে সরাতে লাগল।
ড্রয়িংরুম থেকে হলোগ্রাফিকসের সব জিনিস এনে রাখল টেবিলের ওপর। বাবার সাথে কথা বলেই এখানে সেট করবে। এখন আপাতত এভাবেই থাকুক। ওইজা বোর্ডের কারণে বিছানার ওপর বসল না অনিক। ড্রয়ংরুমের সোফায় বসে গুগুলে হলোগ্রাফিকস সম্বন্ধে কী তথ্য পাওয়া যায় সেসব দেখতে লাগল। সেই ফাঁকে একবার নিজের ফেসবুক একাউন্টেও ঢুঁ দিলো। চ্যাট বক্সে ফেসবুক ফ্রেন্ড মানহা নোটিফিকেশন পাঠিয়েছে। বাস্তব জগতে অনিকের তেমন বন্ধু না থাকলেও ভার্চুয়াল জগতে তার কয়েকজন ফ্রেন্ড আছে। যাদের সাথে সে অনেক কিছুই শেয়ার করে, গেমসের খবর থেকে শুরু করে পড়ার খবরও। মানহার ম্যাসেজ সিন করে রিপ্লাই দিলো অনিক। জানাল, বাবা বিদেশ থেকে একটা অদ্ভুত জিনিস পাঠিয়েছে। মানহা কী জিজ্ঞেস করলে বলল, সে এখনো সঠিক জানে না, তবে জিনিসটা দিয়ে যেকোনো মানুষের হলোগ্রাফিক ইমেজ বানানো যায়। (চলবে)
