ছত্রিশ.

চাচা না হয় সাত সকালে নিজের গাড়ি ড্রাইভ করে অফিসে চলে যান। বড় চাচী তো আর চাকরি করেন না। অনিক আরেকবার কলিংবেল চেপে ফিরে আসবে ভাবতেই কলিংবেলের হাত বাড়ানোর আগেই দরজা খুলে গেল। বড় চাচী ঘরোয়া পোশাকে দরজা খুলে বললেন, ‘ও তুই। এতবার কলিংবেল দিচ্ছিস। বাথরুমে ছিলাম। যখনই বাথরুমে যাবো তখনই কেউ নেই কলিংবেল বাজাবে। অদ্ভুত। আয় ভেতরে আয়।’
‘না, বড় চাচী ভেতরে আসব না। একটু ছাদে যাবো। তালা কে দিয়েছে বলতে পারো?’
‘আমিই দিয়েছি। দাঁড়া চাবি দিচ্ছি। কাল রাতে কে জানি ছাদে গিয়েছিল। দরজা খোলা পেয়েছি। এজন্যই তালা লাগালাম। তোরা চাইলে খুলেই রাখতে পারি। না হলে শেষে আবার ইসুটিসু...বাড়ি তো আমাদের একার না...’ বড় চাচী আরো কি সব বকতে বকতে চাবি আনতে ভেতরে গেলেন। ফিরে এসে অনিকের হাতে চাবি তুলে দিতে দিতে বললেন, ‘তোর জন্মদিন নাকি সামনে, আমাদের তো এখনো কিছু জানালি না।’
অনিক চাবিটা হাতে নিলো। নতুন চাবি। ‘আম্মু এখনো কাউকে বলেনি। বাবা আসবে না এটা কনফার্ম হতে পারছিলাম না তো।’
বড় চাচী একটু খোঁচা মারা স্বরে বললেন, ‘দেখিস, আমাদের একটু বলিস!’ (চলবে)