ঊনপঞ্চাশ.
ক্যামেরার অংশের মধ্যে কয়েকটা বাটন আছে। যেটার একটা ছবি প্রবেশ, একটাতে আপলোড এবং আরেকটাতে প্রজেক্টর অংশের মধ্যে চালান করা। তারপর আসবে প্রজেক্টর অংশ, যেখান থেকে হলোগ্রাফিক পিকচারটা ঘরের মধ্যে প্রজেক্টেড হবে।
অনিক খুব সাবধানে একের পর এক অংশ কেবল দিয়ে সংযোগ দিতে লাগল। মিসেস জেরিন বন্ধ দরজার ওপর ধাক্কা দিতে দিতে বললেন, ‘তোকে না কতদিন করে বলেছি দরজা বন্ধ করবি না। খোল।’
অনিক বিরক্ত স্বরে বলল, ‘আমি বন্ধ করিনি, হাতের চাপে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেছে। খুলছি। কেন?’
‘নাস্তা দেব। খোল।’
অনিক সব কিছু যেভাবে ছিল সেভাবেই রেখেই উঠে এসে দরজা খুলে দিলো। আম্মু নুডুলস নিয়ে এসেছে। সে নুডুলসের বাটি হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করার চেষ্টা করতেই আম্মু ধাক্কিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল। ‘কি, তোর আব্বুর সাথে কথা বলে এখন সব ঠিকঠাক লাগাতে পেরেছিস?’
‘এখনো শেষ হয়নি আম্মু।’
মিসেস জেরিন এক নজর জংগল হয়ে থাকা রুমের দিকে চোখ বুলালেন। ছেলে কি শুধু ওইটা চালু করতেই দরজা বন্ধ করছে নাকি দরজা বন্ধ করে নেশাটেশা করে? তিনি বাতাসে নাক টানলেন। নাহ, তেমন কোন গন্ধ তো নেই। জোরালো আওয়াজে বললেন, ‘দরজা বন্ধ রেখে কাজ করতে হবে কেন? দরজা খোলা রাখ।
(চলবে)
ঊনপঞ্চাশ.ক্যামেরার অংশের মধ্যে কয়েকটা বাটন আছে। যেটার একটা ছবি প্রবেশ, একটাতে আপলোড এবং আরেকটাতে প্রজেক্টর অংশের মধ্যে চালান করা। তারপর আসবে প্রজেক্টর অংশ, যেখান থেকে...
