তিপান্ন.

আম্মুর কথা ভাবতে ভাবতেই আম্মুর ফোন। ‘কিরে সামান্য একটা মাল্টিপ্লাগ কিনতে গিয়ে হাওয়া হয়ে গেলি! কোথায় তুই?’
অনিক একটু ইতস্তত করল। তারপর সত্যি কথাটাই বলল, ‘আমাদের এখানে পাইনি আম্মু। একটু সামনে যাচ্ছি।’
‘সাবধানে যাস। যেয়েই আমাকে একটা ফোন দিবি।’
অনিকের মেজাজ খারাপ হলো। সবসময় গল্প দেয় বন্ধুবান্ধব নেই, তাহলে এমন করে প্রতি মুহূর্ত খোঁজ খবর রাখলে বন্ধুবান্ধব হবে কি করে? শপিং কমপ্লেক্সের ইলেকট্রনিক্স মার্কেটের প্রায় প্রতিটা দোকান ঘুরে ফেলল অনিক। এরকম থ্রিপিন তারা কখনো দেখেনি। মারফিজ লয়ের মতো একেবারে শেষ একটা দোকানে মিলল জিনিসটা। ধুলো পড়া ছিল। এই জিনিস কখনো বিকোবে দোকানদার ভাবেনি। সেজন্য যাই হোক একটা নায্যমূল্যে দিয়ে দিলো।
জিনিসটা হাতে পাওয়ার পর অনিকের উত্তেজনা আরো বেড়ে গেল। বেশি টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে সরাসরি বাসার সামনে রিকশা নিয়ে নিলো। অনিক মাল্টিপ্লাগের প্যাকেট হাতে নিয়ে বাসার কলিংবেল চাপতেই দরজা খুলে আম্মু বিরক্ত স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোর বড় চাচী এসেছিল তোকে খুঁজতে? ব্যাপারটা কী?’ দাদার এই বাড়ির কোনো চাচীদের কারোর সাথে তেমন সদ্ভাব নেই। (চলবে)