বাষট্টি.
বিরক্ত অনিক আবার গোড়া থেকে শুরু করবে, নাকি নতুন কোনো ছবি ওর মধ্যে আপলোড করবে, ভাবতে লাগল।
অনিক ল্যাপটপে পিডিএফ ম্যানুয়ালগুলোতে মনোযোগী হলো। রুম অন্ধকার। শুধু ল্যাপটপের স্ত্রিনের আলো ছাড়া আর কোনো আলো নেই। এদিকে রাত বাড়ছে। ল্যাপটপের ঘড়িতে দেখল রাত ১২টা।
অনিক ল্যাপটপে মাথা গুজে খুব মনোযোগী দিয়ে কোথায় কি ভুল হলো সেটা পড়ে দেখছিল। তখনই তার মনে হলো, এই রুমের মধ্যে কেউ আছে। ঘোরাফেরা করছে। তার পেছনে ঘাড়ের কাছে এসে পড়েছে। তার ঘাড়ে নিঃশ^াস ফেলছে। অনিক পেছন দিকে তাকিয়ে ঘাড় ঘোরাবে সেই সাহসটুকু সঞ্চয় করতে পারল না। সে গা হাত পা শক্ত করে ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে রইল। সামনের দিকে তাকালেও পেছনে যে একটা আলোর রেখা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে বুঝতে পারল। সাহস করে ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকিয়ে যারপরনাই অবাক হলো। প্রথমে ভূত দেখার মতো চমকে উঠল। নিজের অবয়ব দেখার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার পরেও যে জিনিস দেখলো তাতে চমকে ওঠা ছাড়া উপায় নেই।
রুমের মধ্যে তার ছবি, ছবি নয় যেন জীবন্ত প্রতিমূর্তি। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার তার হলোগ্রাফিক থ্রিডি ছবিটা এতোটাই পারফেক্ট, সমস্ত দিক দিয়ে এতোটাই মানুষের মতো যে প্রথমে একবার যে কেউ দেখলেই আসল মানুষ ভেবে ভুল করবে। (চলবে)
বাষট্টি.বিরক্ত অনিক আবার গোড়া থেকে শুরু করবে, নাকি নতুন কোনো ছবি ওর মধ্যে আপলোড করবে, ভাবতে লাগল। অনিক ল্যাপটপে পিডিএফ ম্যানুয়ালগুলোতে মনোযোগী হলো। রুম অন্ধকার।...
