সাতাত্তর.
অনিক নিজের রুমে পর্দাটা সরিয়ে বাইরের আলো বাতাস আসতে দিলো। দিনের আলোর সাথে সাথেই রাতের মনের ভয় দূর হয়। ওইজা বোর্ডটা তুলে রাখতে গিয়ে দেখল বাটনটা ঠিকই স্টার্টিং পয়েন্টেই আছে। সে মনে মনে বলল, ‘বাটন তুমি রাত হলে ইয়েসে গিয়ে বসো, দিনে হলেই শুরুর জায়গায়।’ তারপর কেবলগুলো ভালো মতো চেক করে নিলো। সব ঠিকঠাক আছে।
দুরু দুরু বুকে আবার সবগুলো লাইন দিয়ে যন্ত্রটা চালু করে দিলো। দরজা খোলা থাকায় ও ঘর থেকে আম্মুর গলা শুনতে পেল অনিক। ‘তোর শেষ হয়েছে। গুছিয়ে নে। আগে হাসপাতালে যাবো। পরিচিত ডাক্তারের সাথে কথা হয়ে আছে। তারপর তোর বন্ধুদের বাড়িতে বাড়িতে ঢুঁ দেবো। আচ্ছা, খালি হাতে যাবো, নাকি মিষ্টি ফিষ্টি কিছু নিতে হবে?’
অনিকও চেচাল, ‘আম্মু তুমি আগেই মাতব্বরি করে কিছু করো না। আমি আগে ওদের সাথে ফোন দিয়ে কথা বলে নেই। তারপর মিষ্টি টিষ্টি কিছু নিতে হয় কি না বুঝব। দু-একজন যা বড়লোক, হয়তো আমাদের মিষ্টি ছোঁবেই না।’ বলেই অনিক বুঝতে পারল এভাবে বলা ঠিক হয়নি, আম্মু কষ্ট পেতে পারে। তাড়াতাড়ি বলল, ‘আমিই ফোন দেবো আম্মু। তুমি রেডি হও। আমার রেডি হতে বেশিক্ষণ লাগবে না।’
‘তোর যন্ত্র ঠিকঠাক আছে।’
‘হু। সেরকমই মনে হচ্ছে। রাতে আবার চালিয়ে দেখব।’ (চলবে)
সাতাত্তর.অনিক নিজের রুমে পর্দাটা সরিয়ে বাইরের আলো বাতাস আসতে দিলো। দিনের আলোর সাথে সাথেই রাতের মনের ভয় দূর হয়। ওইজা বোর্ডটা তুলে রাখতে গিয়ে দেখল...
