তিরাশি.
আজ রাতে আর কার কার হলোগ্রাফিক ছবি বানানো যায় সেটা নিয়েই আরো দুজন বন্ধুর সাথে চ্যাট করছিল। তারাও মজা পেয়েছে। বলেছে সত্যি সত্যিই যদি ওরকম কিছু হয়, তাহলে ওরাও দেখবে ব্যাপারটা কি! অনিক ওদের ফুল প্রোফাইল ছবি ইনবক্সে পাঠিয়ে দিতে বলেছিল, এই সময়েই ভেতর থেকে ডাক এলো। অনিক তাড়াতাড়ি অনলাইনে থেকেও মোবাইলের সাউন্ড অফ করে দিল।
অনিক বুঝতে পারল মায়ের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া শেষ। এখন হয়তো গল্পগুজবের জন্যই ডাক্তার ডেকেছে। হয়তো গল্প গুজবের মধ্যেই তারও কোনো চিকিৎসা করা হবে। কারণ মা কোনো ডাক্তারের কাছে নিজের জন্য গেলেও বিনামূল্যে তার জন্যও কিছু টিপস নিয়ে নেয়। ফিজিও ডাক্তারের কাছে গিয়ে চোখের ব্যায়াম শিখেছে, এই মনের ডাক্তার কি শেখাবে? মনের ব্যায়াম?
অনিক ঢুকে ডাক্তারের সাথে আম্মু পরিচয় করিয়ে দিলেন। ডাক্তার তার ক্লাস পরীক্ষা পড়াশুনা নিয়ে টুকটাক করে কথা বলতে লাগল। এই সময়ে আম্মুর একটা গুরুত্বপূর্ণ ফোন আসায় আম্মু ডাক্তারের কাছে সরি বলে ফোন কানে ধরে বেরিয়ে গেলেন।
আম্মুর আসতে দেরী হচ্ছে দেখে ডাক্তার টুকটুক করে তার সাথে গল্প করতে লাগলেন। কিন্তু গল্পের ধরণধারণটা যেন কেমন?
(চলবে)
