একানব্বই.
লিখন প্রথমে থাকার কথা বললেও পরে কি মনে করে চলে গেল। কেউ একজন উবার ডেকেছিল, সেই উবার ওর বাসার সামনে দিয়ে যাবে। লিখন এই সুযোগ হাতছাড়া করল না।
তামিম আর সেতু থাকায় অনিক কিছুটা খুশিই হলো। তামিমের মায়ের সাথে অনিকের মায়ের বন্ধুত্ব থাকায় আগে থেকেই ওদের দু’জনের মধ্যে একটা সহজ সম্পর্ক ছিল। আর ক্লাসে সেতুর সাথেই অনিকের বন্ধুত্বটা একটু বেশি, যদিও প্রাণের বন্ধু বলতে যা বোঝায় তেমন নয়।
গেস্টরা বিদায় হওয়ার পরে মা অনিকের রুমে উঁকি দিলেন। অনিক বন্ধুদের সাথে বসে গল্প করছে দেখে মায়ের ভালো লাগল। তিনি হেসে বললেন, ‘তোমরা এখানে বসেই গল্প করতে পারো, চাইলে ড্রয়িংরুমের বড় টিভিতে সিনেমা টিনেমা দেখতে পারো।’ তারপর অনিকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘শোন, গেস্টরুম গুছিয়ে দিয়েছি। আড্ডাবাজি শেষ হলে ওদেরকে দেখিয়ে দিস। কমন বাথরুমটাও দেখিয়ে দিস।’
‘আন্টি, এসব নিয়ে আপনাকে কোনো চিন্তা করতে হবে না। মনে হয় না, আপনার গেস্টরুম আজ কোনো কাজে লাগবে। আমরা এই রুমেই গল্প করে সারারাত পার করে দেবো।’ তামিম খুশি খুশি গলায় বলল। এর মধ্যেই সে অনিকের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট অনেক নাড়াচাড়া করে ফেলেছে। তবে অনিক এখনো আসল জিনিসটাই বের করেনি। সব নিরিবিলি হয়ে গেলেই বের করবে।
(চলবে)
একানব্বই.লিখন প্রথমে থাকার কথা বললেও পরে কি মনে করে চলে গেল। কেউ একজন উবার ডেকেছিল, সেই উবার ওর বাসার সামনে দিয়ে যাবে। লিখন এই সুযোগ...
