তিরানব্বই.
অনিক মৃদু স্বরে বলল, বাবা বিদেশ থেকে পাঠিয়েছেন। আমি একবার চেষ্টা করেছি।’
‘তারপর? ভূত এসেছিল?’
‘ঠিক জানি না। তবে অন্যরকম একটা ব্যাপার হয়! তোমরা ট্রাই করে দেখতে পারো। হয়তো কিছু হবে না, আবার হতে তো পারে!’
হাসিঠাট্টার মধ্যেই ওইজা বোর্ডটাকে টেবিলের উপরে রেখে দিলো। ঠিক রাত বারোটায় রুমের ভারী সব পর্দা টেনে লাইট অফ করে ঘোর অন্ধকার করে ওইজা বোর্ড দিয়ে ভূত নামাবে। তার আগে হলোগ্রাফিক ইমেজ দেখা যাক।
অনিক সাদা দেয়ালের দিকে প্রজেক্টর অংশের মুখটা তাক করে হলোগ্রাফিক যন্ত্রটাকে সেট করল। তারপর ল্যাপটপ অপেন করতে করতে বলল, নিজেদের ইমেজ দেখতে চাইলে তোমাদের ফুল সাইজ ছবি ল্যাপটপে দিতে হবে। যে ছবিটা দেবে ওইটাই হলোগ্রাফিক থ্রিডি ইমেজ হিসাবে রুমের মধ্যেই দেখা যাবে।’
সেতুকে বেশ কৌতূহলী মনে হলো, সে দুষ্টুমি হেসে বলল, ‘আমার ডার্টি ছবি দিলে কি ওখানে আসবে?’
‘তাই তো আসা উচিত! যা দেব তাইই তো আসবে।’
‘আহারে! আগে জানলে বাসা থেকে একটা স্পেশাল ছবি তুলে আনতাম।’
তামিম টিপ্পনি কাটল, ‘সেটা ইচ্ছে করলে এখনো করা যায়। আমাদের মোবাইল ক্যামেরা দিয়েই হবে। এখানেই তুলে ফেল।’
(চলবে)