একশ’.
পয়েন্টারটা চলতে শুরু করেছে। এবং সেটা দিয়ে ইয়েস বাটনের উপরে থামল।
‘কোনো আত্মা কি এসেছ?’
ইয়েস বাটন নড়ে উঠল।
‘সুমি, তুমিই কি এসেছ?’
ইয়েস বাটনটা আবার নড়ে উঠল।
অনিক সুমিকে আত্মহত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল। তখনই সেতু ভয়ার্ত গলায় চিৎকার দিয়ে উঠল, ‘ওইটা কী? ওইটা কী? ওই জানালার ধারে!’
তিনজনেই অন্ধকারের মধ্যে চোখ সওয়া আলোয় জানালার দিকে তাকাল। একটা মেয়ে মানুষের অশরীরী অবয়ব জানালার দিকে উল্টোদিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে এবং দাঁড়িয়ে আছে জানালার বাইরে। কিন্তু অনিকদের বাড়ির জানালাগুলো এমনভাবে করা ওপাশে কোনো মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব নয়। শুধু দাঁড়িয়ে থাকতে পারে, যদি মানুষ না হয়! তার চেয়ে বড় কথা, রুম ঘোর অন্ধকার করে দেওয়ার জন্য জানালার পর্দাটা টেনে পর্দা ঢাকা ছিল, কিন্তু সেই পর্দাটা যেন কে সরিয়েছে। ওরা তিনজন যে সরাইনি সেটা নিশ্চিত। তাহলে জানালার পর্দা সরাল কে?
কেউ কিছু বলার আগেই অনিক তাড়াতাড়ি হাত বাড়িয়ে রুমের লাইট জে¦লে দিলো। উজ¦ল আলোয় জানালার দিকে তাকিয়ে দেখল জানালার পর্দা ঠিকই দেওয়া আছে। অথচ ওরা তিনজনই স্পষ্ট দেখেছে পর্দা সরানো এবং জানালার ওপাশে একজন মানুষ।
(চলবে)ংু
