একশত এক.
ওরা একে অন্যের মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। তামিম একটু দুর্বল গলায় বলল, অনিক, পর্দাটা সরিয়ে একটু দেখবি নাকি, ওপাশে কিছু আছে কিনা?’
অনিক বিড়বিড় করে বলল, ‘এই আলোতে কিছু থাকার কথা নয়। তারপরও দেখছি।’ অনিক পায়ে পায়ে হেঁটে জানালার কাছে গেল। পর্দা সরিয়ে কাচঢাকা জানালাটা দেখাল ওদেরকে। তারপর জানালার কাচ সরিয়ে দিয়ে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে নিচের দিকে তাকাল। অনিককে নিচের দিকে তাকাতে দেখে ওরা দুজন অনিকের পাশে এসে নিচে তাকাল। ‘জানালার নিচে মানুষ দাঁড়ানোর মতো কোনো কিছু নেই, শুধু অশরীরি হলে হয়তো অন্যকথা!’
তিনজন রুমের মধ্যে মুখোমুখি বসল। সেতু কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, এতোদিন শুধু গল্প উপন্যাসেই ভূতের কথা পড়েছি। আজ নিজের চোখে দেখলাম। নিজের চোখে না দেখলে হয়তো অন্যদের মতো অশি^াসই করতাম।’
তামিম বলল, ‘একটা ব্যাপার খেয়াল করেছিস সেতু?’
‘কি ব্যাপার?’
‘অনিক কিন্তু ভূত দেখে আমাদের মতো অতটা চমকায়নি। তার মানে, হয় ও ভূত আসবে সেটা জানতো, নয়তো আগেই এই ভূতের সাথে ওর দেখা হয়েছে। তাই না অনিক?’
অনিক মাথা নিচু করল। তারপর বিড়বিড় করে বলল, ‘হু, এই বাড়িতে একটা ভূত আছে। আমি দেখেছি। আমার বড়চাচী দেখেছেন। (চলবে)