(গত দিনের পর)
সেখানে শত শত ঝিনুক, কঙ্কর ও মাছেদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে হিনার রূপের খ্যাতি। হিনা যেখানে যায়, তার রূপের ছটায় সেখানকার বাতাস দোলা দেয়। জীবজন্তু ও লতাপাতা হেলেদুলে ওঠে। বাতাসে যেন আরো একটু বেশি দোল খেতে চায়। ছুঁয়ে দিতে চায় তার সোনার প্রলেপ দেয়া শরীর। হিনার রূপের ছটায় শোভিত হয়ে ওঠে তাহিতি দ্বীপের গাছ, বৃক্ষ ও প্রাণীকুল।’
‘একদিনের কথা। হিনা সাগর জলে সাঁতার কাটছিল একা। সখিরা স্নান সেরে আগেই চলে গিয়েছিল। তো সাঁতরিয়ে হিনা একসময় চলে যায় অনেক দূর। এমন সময় হিনাকে দেখতে পায় সাগর তলের ‘বাইন কুমার’ (প্রিন্স অব ইল)। বাইন কুমারকে চেনো পর্যটক? সে আর কেউ নয়, এই সাগরজলের মাছ। জলে যত বাইন মাছ আছে, তাদের রাজার পুত্র সে।
হিনার রূপে মুগ্ধ হয়ে বাইন কুমার জলের তল থেকে ওঠে আসে হিনার কাছে। তার রূপে মুগ্ধ হয়ে সে গেঁথে যায় তার চুলের খোঁপায়। হিনা অবশ্য বুঝতে পারেনি কিছু। (চলবে)
(গত দিনের পর)সেখানে শত শত ঝিনুক, কঙ্কর ও মাছেদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে হিনার রূপের খ্যাতি। হিনা যেখানে যায়, তার রূপের ছটায় সেখানকার বাতাস দোলা...
