তিন.
নিশ্চয়ই রেগে তখন তুমি আমাকে মেরে ফেলবে।’
বাঘিনী অনেক অনুনয় করে ছেলেটাকে বলল, ‘না আমি কথা দিচ্ছি, আমি মোটেই সেরকম করব না। তুমি কাঁটা তোলার সময় আমি আমার মুখ ঘুরিয়ে গাছের আড়ালে রাখব। তবু তুমি আমার এ উপকারটুকু করো।’
শেষমেশ ছেলেটা রাজি হলো। সে বাঘিনীর পা থেকে এক টানে কাঁটাটা তুলে ফেলল। বাঘিনী ব্যথায় বাবা রে মা রে বলে চিৎকার দিয়ে উঠল। আর তার অন্য পায়ের আঘাতে গাছটা ফেটে দু’টুকরো হয়ে গেল। এরপর বাঘিনী ছেলেটার দিকে তাকিয়ে একটা ছোট্ট বাক্স দিয়ে বলল, ‘ধন্যবাদ। এই নাও তোমার পুরস্কার। তবে সাবধান। এখান থেকে নয় মাইল না যাওয়া পর্যন্ত এই বাক্স খুলবে না।’
বাঘিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছেলেটা বাক্স নিয়ে আবার রওনা হল তার ভাগ্যের সন্ধানে। হাঁটতে হাঁটতে সে পাঁচ মাইল পেরিয়ে গেল। সে হঠাৎ অনুভব করল, বাক্সটা ধীরে ধীরে ভারী হচ্ছে। ভারী হতে হতে শেষে এমন হল যে তার ওটা বয়ে নিয়ে যাওয়াই দায় হয়ে পড়ল। তবু সে কষ্ট করে বয়ে নিয়ে এগুতে লাগল। এভাবে আট মাইল পথ পেরিয়ে গেল সে। (চলবে)
