দুই.
সবাই আমাকে সম্মান করে। ভালোবাসে। রাণী বলেই সম্বোধন করে। তবু কী করে রাণীর মতো হবো? রাণী ফুলকন্যা ভাবনায় ডুব দিলেন। ভাবতে ভাবতে সকাল হলো, দুপুর ফুরাল, সন্ধ্যা নামল। রাত ভোর হলো।
রাণী ফুলকন্যা সিংহাসনে বসলেন। দরবারে উপস্থিত সবাই রাণীকে স্বাগত জানাল। প্রতিদিনের মতো রাণী হাসলেন না। সুন্দর দৃষ্টিতে তাকালেন না। রাণীর হাসিতে পাপড়ি ঝরল না। রাণীর চাহনিতে ফুল ফুটল না। দরবারে উপস্থিত সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গ বিস্ময়ে হতবাক! কিন্তু কেউই রাণীকে প্রশ্ন করার ধৃষ্টতা দেখাল না। শত হোক তিনি রাণী। রাণীদেরও দুঃখ-কষ্ট আছে। ফুলকন্যা পরদিন ঠিক একই কাজ করলেন। তার পরের দিনও করলেন। রাণী ফুলকন্যা সিংহাসনে বসলেন। কিন্তু সুন্দর দৃষ্টিতে তাকালেন না। সুন্দর করে হাসলেন না।
মিষ্টি করে কথা বললেন না। আজও কেউ প্রশ্ন করল না। সবার প্রত্যাশা হয়তো রাণী নিজে থেকেই বলবেন। কিন্তু রাণী ফুলকন্যা কিছুই বললেন না।
ধীরে ধীরে রাণীর অস্থিরতা বাড়ল। ফুলকন্যার কিছুই ভালো লাগে না। (চলবে)
দুই.সবাই আমাকে সম্মান করে। ভালোবাসে। রাণী বলেই সম্বোধন করে। তবু কী করে রাণীর মতো হবো? রাণী ফুলকন্যা ভাবনায় ডুব দিলেন। ভাবতে ভাবতে সকাল হলো, দুপুর...
