আগেই বাফুফের ভবনের ক্যাম্প ছেড়ে চলে গেছেন সাবিনা খাতুনরা। একুশে পদক গ্রহণের পর তারা আর ক্যাম্পে ফেরেননি। ছিলেন বিদ্রোহ করা সাগরিকা, ঋতুপর্না চাকমারা। তবে গতকাল তারাও ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাবেন। কারণ জাতীয় দলে গতকাল প্রীতিম্যাচ খেলতে আমিরাত গেছে। বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরনের সাথে সাবিনাদের কথা হয়েছিল, তারা আবার জাতীয় দলের ক্যাম্প হলে ফিরবেন। তবে শেষপর্যন্ত বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেয়া সাবিনা, নীলা, মাছুরা, মারিয়া, বড় শামসুনন্নাহার, সুমাইয়া, সানজিদাদের কি আবার ডাকা হবে? যারা কোচ বাটলারের বিপক্ষে বিদ্রোহ করেছেন কোচ কি তাদের ফের ডাকবেন ক্যাম্পে।
পরশু সংবাদ সম্মেলনে কোচ বাটলরা বলেন, ‘আমার দরজা সবসময়ই খোলা। এখন তারা ক্যাম্পে ফিরবেন কি না তা তাদের বিষয়।’ পরে অবশ্য কোচ উল্লেখ করেন, ফুটবলাররা যদি ‘সরি’ বলে ক্যাম্পে ফিরে আসে তাহলে ‘সরিই’ কিন্তু সব সমস্যার সমাধান নয়। কয়েকজনের বিষয়ে আমার আপত্তি আছে।
বুঝাই যাচ্ছে বাফুফে দারুণ এক কৌশল অবলম্বন করেছে। তারা বিদ্রোহ করা ১৮ ফুটবলারকে ক্যাম্প থেকে বের করে দেয়নি। বসিয়ে বসিয়ে খাইয়েছে। তবে আবার ক্যাম্প শুরু হলে আর হয়তো ডাকাই হবে না। এতে বিদ্রোহের জন্য ক্যাম্প থেকে ফুটবলারদের বের করে দিয়ে কোনো সমালোচনার জন্ম দিতে চায়নি। এ দিকে এই বিদ্রোহীদের দুইজন সাগরিকা এবং ঋতু পর্না চাকমা জানিয়েছেন তারা আর বিদ্রোহ করবেন না। পরের ক্যাম্পে যোগ দেবেন।