জিনেদিন জিদানের অধীনে নতুন অধ্যায় শুরু করল ফ্রান্স। তবে জয়ে শুরু হলেও স্বস্তি পুরোপুরি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। তুরস্কের বিপক্ষে গোল করে দলকে এগিয়ে দেয়ার পর চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেকে।
শুক্রবার রাতে তুরস্কের মাঠে উয়েফা নেশন্স লিগের ‘এ’ লিগের প্রথম গ্রুপের ম্যাচে স্বাগতিকদের ১-০ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন এমবাপ্পে।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপাজয়ী দলের অন্যতম নায়ক জিদানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এটিই ছিল জাতীয় দলের ডাগআউটে তার প্রথম ম্যাচ। শুরুটা জয় দিয়ে হলেও ম্যাচের শেষটা ছিল এমবাপ্পের চোটের দুশ্চিন্তায় রাঙানো।
প্রথমার্ধে অবশ্য তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি এমবাপ্পে। ১৭তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের পাস পেয়ে তার নিচু শট পোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়। এরপর রায়ান শের্কি ও ওলিসে সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও তুরস্কের আক্রমণে পরীক্ষা দিতে হয় ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁকে। ৫১তম মিনিটে আর্দা গুলেরের কর্নার থেকে ইউকসেকের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি।
এর তিন মিনিট পরই এগিয়ে যায় ফ্রান্স। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল পেয়ে এমবাপ্পেকে পাস দেন ওলিসে। বক্সের মুখে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।
এটি ফ্রান্সের হয়ে এমবাপ্পের ৬৭তম গোল। জাতীয় দলের জার্সিতে ১০৭ ম্যাচে এই গোল করলেন তিনি।
তবে গোলের পর স্বাভাবিক উদযাপন করতে পারেননি এমবাপ্পে। কিছুক্ষণ পর হাঁটু চেপে ধরে মাটিতে বসে পড়েন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পরও আর মাঠে ফিরতে পারেননি ২৭ বছর বয়সী এই তারকা।
শেষ দিকে তুরস্কের গোলরক্ষকও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে ফ্রান্সের বদলি খেলোয়াড় বাহডলে বাহকোলার নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাত দিয়ে থামানোর পর ভিএআর পর্যালোচনায় তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।
শেষ পর্যন্ত ১০ জনের তুরস্ক আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ফলে ১-০ গোলের জয় দিয়ে নেশন্স লিগে অভিযান শুরু করে জিদানের ফ্রান্স। তবে তিন পয়েন্টের পাশাপাশি এমবাপ্পের চোটই এখন ফরাসিদের বড় দুশ্চিন্তা।





