বাংলাদেশ ইসলামিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, আদর্শিক বিপ্লবের পূর্বশর্ত হলো সাহিত্য-সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে জ্ঞান ও চিন্তার পরিশুদ্ধি। তিনি বলেন, সকল নবী-রাসূল দাওয়াতি কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বাগ্রে মানুষের চিন্তা ও মননের পরিশুদ্ধি সাধন করেছেন। তাই জ্ঞান ও চিন্তার শুদ্ধ বিকাশে আধুনিক প্রকাশনীকে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারের একটি হোটেলে ‘আধুনিক প্রকাশনী’ আয়োজিত লেখক-অনুবাদকদের এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিআইআইর জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিআইআইর ভাইস চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুর রব। সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক ড. ছামিউল হক ফারুকী, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। এ ছাড়া মতামত ব্যক্ত করেন কবি সোলায়মান আহসান, কবি হাসান আলীম, শিশু সাহিত্যিক শরীফ আব্দুল গোফরান, প্রফেসর ড. ইয়াহইয়া মান্নান, কাজী মোর্তুজা আলী, এ এন এম সিরাজুল ইসলাম, কবি জাকির আবু জাফর, আলী আহমাদ মাবরুর, সাইয়্যেদ রাফে সামনান, মাওলানা মহিউদ্দিন কাশেমী, মাওলানা নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।
মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান আরো বলেন, রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিপ্লবের আগে প্রয়োজন সাহিত্য-সাংস্কৃতিক বিপ্লব। এ ক্ষেত্রে আধুনিক প্রকাশনীকে আরও স্মার্ট, সৃজনশীল ও গতিশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুর রব বলেন, সুস্থ সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মননশীল গবেষণার ধারা শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে আধুনিক প্রকাশনী লেখক, অনুবাদক ও গবেষকদের এ মিলন মেলার আয়োজন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চিন্তাও সৃজনশীলতার বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং ক্রমেই আরো বিস্তৃত পরিসরে বিকশিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারী সাহিত্যিক, লেখক, অনুবাদক ও গবেষকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জ্ঞান চর্চা, গবেষণা ও সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে আধুনিক প্রকাশনীর কার্যক্রমকে আরো ফলপ্রসূ ও গতিশীল করতে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। বিজ্ঞপ্তি।





