বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী আলহাজ কাজী আব্দুল কাদেরের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ শুক্রবার বেলা ৩টায় পল্টনস্থ মুসলিম লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আবুড়ীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় নেতা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, এস আই ইসলাম মিলন, সহসভাপতি শেখ আব্দুল কাইয়ুম, ডা. হাজেরা বেগম, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মোল্লা, আব্দুল খালেক, খন্দকার জিয়াউদ্দিন ও মোহাম্মদ হামীম নাজমী।
নেতৃবৃন্দ বলেন, কাজী আব্দুল কাদের সারাজীবন ত্যাগের রাজনীতি করেছেন কখনো ভোগের রাজনীতি করেন নাই। তিনি ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাতশত বিঘা জমি বিক্রি করে রাজনীতি করে গেছেন। ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আসেন এবং ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে নীলফামারী থেকে এমপি নির্বাচিত হন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, গত কয়েক দিনে রাড্ডা হাসপাতাল ভাঙা, ইসিবিতে হামলা, মোহাম্মদপুর হাউজিং এ হামলার ঘটনায় প্রমান হয়। বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলা অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। তবে মহিলা এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ সরকারের সময়োচিত সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন হামলাকারী বা দোষী যে হোক তার কোনো দলীয় পরিচয় দেখা হবে না, আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটা যেন মুখের কথা না হয়ে যথাযথ বাস্তবায়ন হয়।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আবুড়ী বলেন, জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো জাতিসঙ্ঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী চরম মুসলিমবিদ্বেষী, খুনি, ইহুদিবাদী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন তার বক্তব্য দিতে দাঁড়ান তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাতিসঙ্ঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ৭৭ দেশের রাষ্ট্র প্রধান ও প্রতিনিধিরা অধিবেশন ত্যাগ করেন। এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ অভিনন্দন জানায়।
আলোচনা শেষে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি।





