শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিখোঁজের ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন (৩) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা  দেড়টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকার একটি ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। 
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা সন্দেহভাজন প্রতিবেশী আলী আকবর সিকদারে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাসেল সিকদার (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত সোয়াইফ শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকার সেলিম সরদারে ছেলে। 
ডামুড্যা থানা  ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে শিশু সোয়াইফ বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেয়ে ডামুড্যা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রতিবেশী আলী আকবর সিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুটির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা আলী আকবর সিকদারের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আলী আকবর সিকদারের  ছেলে রাসেল সিকদারকে  আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে।
শিশু সোয়াইফের বাবা সেলিম সরদার বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার মায়ের সাথে প্রতিবেশী আলী আকবরের ঝগড়া হয়। আমার মা রাতে আমাকে বিষয়টি জানায়। শনিবার সকালে আমি বাজার থেকে বাড়িতে গিয়ে আমার সন্তানকে পাইনি। পরে সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় গিয়ে জিডি করি। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে আলী আকবরের বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে আমার ছেলের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। আমার ছেলেকে ওরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এ ঘটনার পর আলী আকবরের পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।