কুড়িগ্রামে শীতে কাহিল মানুষ। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। বাড়ছে শীত জনিত নানান রোগ, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিপাকে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর ভিড়। জেলার নয়টি উপজেলায় একই অবস্থা।

শুক্রবার সকাল ৭টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আকাশে ঘন মেঘ থাকায় আগামী ২৪ ঘন্টা সূর্যের দেখা না মেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়েছে কৃষিশ্রমিক ও স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন। তীব্র ঠান্ডায় অনেকেই কাজে বের হতে পারছে না। এদিকে দিনের বেলা তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও বিকেল থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বেশি অনুভুত হয়। শীতে কষ্টে পড়েছে জেলার নদ-নদী, তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন।

কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নের কৃষক বুকুনজ্জামান, জয়নাল আবেদিন বলেন, কয়েকদিন থেকে খুব ঠান্ডা। আজ আরো বেশি ঠান্ডা। হাত পা বরফ হয়ে যায়। কাজ করা খুব কষ্ট।

বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ধরলার পাড় এলাকার দুলু মিয়া বলেন, গরিব মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে শীতের কাপড় বিতরণ দরকার।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, ১৮০০ পিস কম্বল ও ২৭ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। এ টাকা দিয়ে কম্বল কিনে বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে।