সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৮টি আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর তারা আত্মগোপনে চলে যান। আর এতে পরিষদগুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। যার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণ।
গত ২৭ নভেম্বর জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে প্রশাসন নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানরা পদবঞ্চিত হয়ে মহামান্য হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। সেই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি রাশিদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গত ১১ ডিসেম্বরে প্রশাসকদের দায়িত্ব স্থগিত করেন।
হাইকোর্ট বিভাগের রায় বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বরাবর পত্র প্রেরণ করলে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন উপজেলা প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা নিয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান ও প্রশাসকদের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। এতে ইউপি সদস্যসহ সাধারণ জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সেবা নিতে আসা নলকা ইউনিয়নের জহিরুল, রবিউল ইসলাম জানান, আমরা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের কাছে এসেছি জন্ম ও মৃত্যু সনদ নেয়ার জন্য। এসে দেখি প্যানেল চেয়ারম্যান পরিষদে আছেন। জন্ম ও মৃত্যু সনদপত্র চাইলাম তিনি সচিবকে সনদ দিতে বললেন। সনদে সই নিতে প্যানেল চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি বলেন, সনদে স্বাক্ষর করবে প্রশাসক আমি না। প্রশাসকের সই নিতে উপজেলায় ২ দিন ঘুরে ৩০০ টাকা খরচ করে সই নিতে পেরেছি।
রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ দখল নিয়ে রশি টানাটানি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৮টি আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর তারা আত্মগোপনে চলে যান। আর এতে পরিষদগুলো...





