তিস্তা চুক্তি ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার ১১টি পয়েন্টে টানা ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সমাবেশ, পদযাত্রা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। তিস্তা নদীর অববাহিকায় বিরাজ করছে সাজ সাজ রব।

তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের কর্মসূচির মাধ্যমে তিস্তা পাড়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে অন্তর্বর্তী সরকারকে দাবি বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগসহ বিশ্ব পরিমণ্ডলে তিস্তার দুঃখ তুলে ধরাই ‘তিস্তা নদীরক্ষা আন্দোলন’ আয়োজিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে তিস্তা পাড়ে মঞ্চ তৈরিসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে তিস্তা নদীরক্ষা কমিটি। ৫ জেলার ১১টি পয়েন্টে তিস্তা নদীর বুকে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই, জাগো বাহে কোনটে সবা ‘ স্লোগানে মুখরিত তিস্তা পাড়ের বুড়ির বাজার এলাকা

‘তিস্তা নদীরক্ষা আন্দোলন’ কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, ‘তিস্তা চুক্তি ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের নয়। এটি রংপুরবাসীর আন্দোলন। এই আন্দোলন জনদাবিতে পরিণত হওয়ায় এতে তিস্তা পাড়ের মানুষের স্বতঃস্ফুর্ত সমর্থন রয়েছে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঁচ জেলার ১১টি পয়েন্টে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সোমবার তিস্তা পাড়ের সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাজারহাট উপজেলার তিস্তা নদীর বুড়িরহাট এলাকায় দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। দাবি বাস্তবায়ন হলে রাজারহাটের সরিষাবাড়ী বড় দরগা, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, ফেতরাই রামহরি কালির মেলা বাজার, ডাংরারহাট, গাবুর হেলান, টুটা পাইকরসহ তিস্তাপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন ঘটে বলে আশা করছেন বাসিন্দারা।