নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান ওয়াহিদ তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ চাঁদাবাজির দুই মামলায় তাকে জামিন দেন।
গত ১৫ মে সকালে থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। এরপর দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য তাকে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সেদিন সন্ধ্যায় তাকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শামীম হোসেন একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন। এ ছাড়া ১৮ মে ড্রেজার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা করেন।
রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একজন পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রিয়াদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন জানিয়েছে, তিনি শামীম ওসমানের ক্যাডার আক্তার সুমনের ষড়যন্ত্রের শিকার। যুবদল নেতা মামুন হত্যা মামলার আসামি আক্তার সুমন ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসিয়েছে।








