বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বলেছেন, ‘পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর সীমাহিন জুলুম-নিপীড়ন চালিয়েছে। তারা দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও বিদেশে পাচার করলেও ছাতক-দোয়ারাবাসী কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম নিপীড়ন উপেক্ষা করে গত দেড় যুগ এই জনপদের মানুষের পাশে ছিলাম, এখনো আছি। সুনামগঞ্জ-৫ আসন, ছাতক ও দোয়ারবাজারের মাটি ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অবহেলিত ছাতক ও দোয়ারার কাংখিত উন্নয়নে আমি অঙ্গিকারাবদ্ধ।’

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেই নির্বাচনকে বানচাল করতে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এসবের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে আগামী নির্বাচন দেশ-জাতি ও বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে ছাতক উপজেলা ও পৌর বিএনপি-যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল-ছাত্রদল আয়োজিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনমত গঠনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণসংযোগ ও মিছিল পরবর্তী বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ছাতক পৌর শহরস্থ মোড়ল কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পৌর শাখার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিছিল সহকারে সমবেত হন। এখান থেকেই গণসংযোগ ও বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ছাতক শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌর পয়েন্টে গিয়ে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ জনতা অংশ নেন। উক্ত সমাবেশকে কেন্দ্র করে ছাতক মিছিলের শহরে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে অনেকে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক কর্মসূচীতে এমন উপস্থিতি অতীতে দেখেনি ছাতকের মানুষ। কারণ সমাবেশ জনতার ঢল নেমেছিল।

ছাতক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদের পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- ছাতক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হুরায়রা সুরত, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন মহি, যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন সালমান, পৌর বিএনপির বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শহীদুর রহমান সোহেল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এনামুল হক, আবু সুফিয়ান, এখলাছুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ, মতিউর রহমান, হাফিজুর রহমান, দোলারবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য কবিরুল হাসান আংগুর, আশরাফুল হক খেলন, শাহীনুল হক চৌধুরী, ফরিদ মিয়া, ছালিক মিয়া চৌধুরী রুকন, কামাল চৌধুরী, হাজী নিজাম উদ্দিন, জাউয়াবাজার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আলাউদ্দীন, ভাতগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এস এম ছমরু মিয়া, সিংচাপইড় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, চরমহল্লা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হুশিয়ার আলী, দোলারবাজার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন ময়না, কালারুকা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান, ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আব্দুস সামাদ, গোবিন্দগঞ্জ সৈয়দেরগাও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল হক মেম্বার, ছৈলা আফজলাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহবাব মিয়া, ছাতক সদর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মধু মিয়া, নোয়ারাই ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উত্তর খুরমা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সদরুল আমিন সোহান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদ আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবিদুর রহমান আবিদ, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ চৌধুরী মাসুম, আজিজুর রহমান আয়েছ, খলিলুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক আহমদ, রাহেল আহমদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচীব শংকর কুমার দাস, সমসু মিয়া, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদুর রহমান হীরা, সৈয়দ মনসুর আলী, ফয়ছল আহমদ সুমন, মানিক মিয়া, ফয়েজ আহমদ, আবু শামীম, জেলা ছাত্রদলের সদস্য আবু তালেব, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাকিব মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদুর রহমান, শাহকামাল, আব্দুল হেকিম, আলা উদ্দীন ও পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোজাহিদ হোসাইন প্রমূখ।