চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রমজান মাসকে ঘিরে খাদ্য দ্রব্যের বাজার লাগামহীন হয়ে পড়েছে। রমজান আসা মাত্র প্রত্যেকটি পন্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে বেসামাল হয়ে উঠেছে বাজার মুল্যে। চিনি, ছোলা,চাল,ডাল,তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। বিভিন্ন উপজেলায় টিসিবির মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্যে নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির পরিকল্পনা খাতা কলমে চুড়ান্ত দেখানো হলেও মিরসরাই উপজেলার কোথাও তা দেখা যায়নি।
এছাড়া দোকান গুলোতে দ্রব্য মূল্যের তালিকা ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টি মানছেনা এখানকার ব্যবসায়ীরা। মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি দোকালে মূল্য তালিকা ঝুঁলিয়ে রাখতে দেখা গেছে।
৮ রমজান অতিবাহিত হলেও এ নিয়ে বাজার গুলোতে প্রশাসনের ২-১টি বাজার ছাড়া অন্য কোথাও মনিটরিং চোখে পড়েনি। যার ফলে ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশিমত দ্রব্যমূল্যে দাম হাকাচ্ছেন। অতিরিক্ত দাম হওয়ার ফলে গরীব দু:স্থ ও নিম্ম আয়ের মানুষগুলোর পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে দারুণ ভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বারইয়ারহাট পৌরবাজার, বড়দারোগাহাট, মিঠাছড়া, আবুতোরাব, আবুরহাট, বড়তাকিয়া,কমলদহ, হাদিফকিরহাট, নিজামপুর, ভোরের বাজার করেরহাট সহ উপজেলার বাজার গুলোর দৃশ্য যেন রাতারাতি পাল্টে গেছে। রমজান হওয়ায় বাজার গুলোতে বেড়ে গেছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম। এক বাজার থেকে আরেক বাজারেও রয়েছে দ্রব্যের দামের পার্থক্য। চাল,ডাল,মসুর ডাল,ছোলা,চিড়া,মুড়ি,সেমাই,চিনি,ময়দা,বেশমসহ নিত্য প্রয়াজনীয় আরও বেশ কয়েকটি দ্রব্যের দাম কেজিতে বেড়ে গেছে ১০-১৫টাকা। পাশাপাশি ভোজ্যতেল পিয়াজ,রসুন,কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক।
জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কায়সার খসরু বলেন, ইতমধ্যে আমরা কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করেছি। অনেক ব্যবসায়ীকে অতিরিক্ত মূল্য ও মূল্য তালিকা না ঝুলানোয় জরিমানা করা হয়েছে। পুরো রমজান মাস অভিযান অব্যাহত থাকবে।