মানব সেবার ব্রত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খায়রুল বাসার খান। শনিবার সকালে ফরিদপুরের মধুখালী মালেকা চক্ষু হাসপাতালে ১১ জনকে বিনামুল্যে চোখের ছানি অপারেশন করান। ১১ জন হলেন, ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রুবি বেগম, জহুরা বেগম, রেহেনা বেগম, রেবেকা বেগম, রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার আঃ জব্বার, রহিমা বেগম, রঙ্গিনা বেগম, দুলালী রানী, আমজাদ হোসেন, মাগুরার মুহাম্মদপুর উপজেলার মোকাদ্দেস মোল্যা, আতর আলী।

রুবি বেগম, দুলালী রানী, জহুরা বেগম, আমজাদ হোসেন জানান, গরীব, অসহায়, দুঃস্থ রোগীদের বিনামুল্যে চোখের ছানি অপারেশন করার কথা জেনে মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাশার খানের নিকট গেলে তিনি যাচাই-বাছাই করে অপারেশনের ব্যবস্থা গ্রহন করেন। তিনি ইতোমধ্যে তাদের মতো অনেককে অপারেশনের ব্যবস্থা করেছেন। তবে কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেন না।

আলহাজ্ব মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাসার খান জানান, যারা অর্থের অভাবে চোঁখের ছানি অপারেশন করতে পারেন না। তাদের কে তিনি বাছাই করে বিনামুল্যে অপারেশনের ব্যবস্থা করেন। তিনি এ কার্যক্রম যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন চালিয়ে যাবেন। সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় তিনি ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি সেবাপদক, মহত্বাগান্ধী স্বর্ণপদক, মাদার তেরেসা পদকসহ বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনি রাজবাড়ী, পাংশা, কালুখালী, বালিয়াকান্দি, মধুখালী, মাগুরা, শ্রীপুর, যশোর, ফরিদপুর, বোয়ালমারী, মোহাম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে রোগী বাছাই করে তার নিজ খরচে ২৪৫ জন চক্ষু রোগীকে চোঁখের ছানি অপারেশন করিয়েছেন। যারা অর্থাভাবে চোঁখের ছানি অপারেশন করতে পারছেন না এ ধরনের হতদরিদ্ররা যোগাযোগ করতে পারেন তার সাথে।

মালেকা চক্ষু হাসপাতালের প্রশাসক ও প্রধান হিসাব রক্ষক মশিউর রহমান জানান, মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাশার খান ইতোমধ্যে ২৪৫ জন হতদরিদ্র রোগীকে বিনামুল্যে চোখের ছানি ও নেত্রনালী অপারেশন করে থাকেন। তার নিজস্ব অর্থায়নে ও মালেকা চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতা নিয়মিত ভাবে অপারেশনের ব্যবস্থা করছেন।