কাব্যের সাহিত্যিক দিকটা আমরা যতই চর্চা করব ততই লাভবান হবো। আজকালকার ছেলেমেয়েরা কবিতা তো দুরের কথা বই-ই পড়ে না। সারাক্ষণ মোবাইলে ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকে। এটা বন্ধ করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে মোবাইল থেকে উঠিয়ে তাদের দৃষ্টি ও মনযোগ বইয়ের দিকে আনতে হবে। বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে হবে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় পর্যায়ে তিন দিনব্যাপী নজরুল জন্মজয়ন্তীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঈশ্বরগঞ্জ আসনের এমপি ফখরুল ইমাম, মুক্তাগাছা আসনের এমপি সালাউদ্দিন মুক্তি, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন, ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকা, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। জেলা প্রশাসক ড.সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজাফর রিপন। নজরুল স্মারক বক্তা ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক বিশ্বজিত ঘোষ।

উপস্থিত অভিভাবকদের উদ্দেশে অনুরোধ করে বেগম রওশন এরশাদ বলেন, আপনারা সন্তানদের দৃষ্টি মোবাইল থেকে সরান। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম লাগবে, তাদের ধ্বংস হতে দেয়া যাবে না।
তিনি তার প্রিয় কবিতা কান্ডারি হুঁশিয়ার কবিতাটি আবৃতি করে বলেন, নজরুল তার মনের ব্যথাগুলো লেখনির মাধ্যম্যে প্রকাশ করে গেছেন। এই কবিতার ভেতরে কবি অবিভক্ত বাংলার পরাধীন জাতির যে মনোভাব, দুঃখ, বেদনা ছিলো তা প্রকাশ করে গেছেন। অসম্প্রদায়িক দেশ জাতি গড়তে কবি মুসলিমদের জন্য হাম, নাত, হিন্দুদের জন্য কীর্তন লিখেছেন।

তিনি আরো বলেন, নজরুল অসংখ্য কবিতা, গান লিখেছেন। তার লেখা “রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটি না শুনলে ঈদের আনন্দিতই হই না।