ফরিদপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে জেলা শহরের জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৭৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে দুপুর সাড়ে বারটা পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছে ৭৩ জন। স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেকে হাসপাতালের জরুরী চিকিৎসা শেষে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেককে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। জেলা সদর ছাড়াও আশপাশের অনেক আক্রান্ত রোগী ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসছেন।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, অসংখ্য রোগী হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্বল্প সংখ্যক ডায়রিয়া রোগীর আসন থাকায় তাদের দূর্ভোগ বেড়েছে।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের এক সেবিকা জানান, শনিবার দুপুর পর্যন্ত গত ১২ ঘন্টায় হাসপাতালে ৭৩ জন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক রোগী অন্যত্র চলে গেছেন। তিনি জানান, হাসপাতালে মাত্র ১৮টি সিট রয়েছে। ফলে এতো অধিক সংখ্যক রোগী নিয়ে সকলেরই দুর্ভোগ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় ৩০৬ জন রোগী ডায়রিয়া রোগে চিকিৎসা নিয়েছে বলে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন শাহজাহান কবির বলেন, হঠাৎ গরমের কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। প্রতিবছর এসময়টা এমন হয়ে থাকে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. সৈয়দ ওবায়দুর রহমান জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের পাশাপাশি রোজায় খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো খাবার বিশেষ করে পানিসহ বিভিন্ন খাদ্য পণ্যের বিষয়ে বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে। তবে এটা নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই।