যশোরের বাঘারপাড়া থানাহাজতে থাকা তন্ময় কুণ্ডু (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি। পুলিশ বলছে, তন্ময় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার বিকেলে তাকে একদিনের রিমান্ডে থানায় আনা হয়েছিল।
তন্ময় বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া এলাকার তন্ময় কুণ্ডুর ছেলে। একই মামলায় তার মা-ও আসামি।
গত ৮ মে নারিকেলবাড়িয়ার পশ্চিমা মাদরাসার অফিস সহকারী অসাদুল (৫২) নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দুইদিন পর ১১ মে নারিকেলবাড়িয়া শ্মশানঘাট এলাকা থেকে আসাদুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই মামলায় দুই নম্বর আসামি ছিলেন তিনি।
মামলার তদন্তকারী অফিসার ও বাঘারপাড়া থানার এসআই শাহ্ আলম সংবাদিকদের জানান, সোমবার বিকেল চারটা ১০ মিনিটের দিকে আসাদুল হত্যা মামলায় তন্ময়কে একদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। ইফতারের পর তন্ময়কে ডাকাডাকি করে না পেয়ে হাজতের টয়লেটে গোঙাতে থাকাবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। ওইসময় তার গলায় কম্বল পেঁচানো ছিল। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে শাহ্ আলম বলেন, ‘আসাদুলের লাশ উদ্ধারের আগে একটি নতুন মোবাইল সিমে একাধিকবার কথা বলেন তন্ময়। ওই সিমে আর কারো কলের তালিকা পাওয়া যায়নি। যেকারণে নিশ্চিত ফেঁসে যাবেন বলে তন্ময় আত্মহত্যা করেছেন।’
বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ইসরাত নাজনীন জানান, সন্ধ্যা সাতটা ১০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এর আগেই তার (তন্ময়) মৃত্যু হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি নিহতের স্ত্রী লাকি বেগম বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় তন্ময়ের মা আল্পনা কুণ্ডু এক নম্বর আসামি। মামলার আসামি কল্পনা কুণ্ডু, ছেলে তন্ময়সহ চারজন আটক ছিলেন।





