নারায়ণগঞ্জ শহরের গৃহাস্থলীর ময়লা আবর্জনা অপসারণ নিয়ে আবারও বিপাকে পড়েছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। টানা চারদিন আবর্জনা অপসারণ বন্ধ থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার আবারো আবর্জনা বসত বাড়ি থেকে অপসারণ হলেও এগুলো ফেলতে বাধায় পড়ে সিটি করপোরেশন। তারা বলছেন, ইসদাইরে ওসমানী স্টেডিয়ামের পাশে নিজস্ব জায়গাতে আবর্জনা ফেলতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। একই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে কাশীপুরের একটি জায়গাতেও।
এদিকে ময়লা আবর্জনার জায়গা না পাওয়ার পর সন্ধ্যায় সিটি করপোরেশনের ৪টি গাড়ি নিয়ে রাখা হয় শহরের খানপুরে জেলা প্রশাসকের বাংলোর সামনের সড়কে। সেখানে থাকা গাড়ি চালকেরা জানান, কোথাও ময়লা ফেলতে না পেরে সিটি করপোরেশনের নির্দেশেই প্রতিবাদস্বরূপ এখানে গাড়ি রাখা হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ জানান, অস্থায়ীভাবে জালকুড়িতে ময়লা ফেলে আসছিল পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। কিন্তু সদর উপজেলা ইউএনও বাধা দেয়ায় কয়েকদিন ধরে পরিচ্ছন্নকর্মীরা বাসা বাড়ির ময়লা অপসারণ বন্ধ রাখে।
জানা গেছে, গত ২৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত চার দিন সিটি করপোরেশনের ময়লা অপসারণ বন্ধ ছিল। প্রত্যেকদিন সকালে ওইসব আবর্জনা অপসারণ করার কথা থাকলেও অনেক এলাকাতে টানা চারদিন ধরেই ময়লা নেয়া হয়নি। আর এই কয়েকদিনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে। যত্রযত্র ফেলানো হয় ময়লা। সারা শহর জুড়েই ডাম্পিং স্টেশনে রূপ নেয়। নাক-মুখে রুমাল চেপে চলাচল করতে হয় নগরবাসীকে।
এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন কয়েকটি জায়গা নির্ধারণ করে সেখানে আবার আবর্জনা অপসারণ শুরু হয়। এদিন সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন বাড়িঘর থেকে আবর্জনা অপসারণ শুরু করে আবর্জনা অপসারণকারী দল। পরে তারা ওসমানী স্টেডিয়ামের পাশে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জায়গায় ফেলতে শুরু করে। সেখানেও বাধার সম্মুখীন হয়। এছাড়া কাশীপুরের একটি জায়গাতেও আবর্জনা ফেলতে গিয়ে বাধা পায় সিটি করপোরেশন।
তবে আজ শুক্রবার পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ জানিয়েছেন, আগে জালকুড়িতে যেখানে ময়লা ফেলা হতো আজ সেখানেই ফেলা হচ্ছে।





