আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী, দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা কারাবন্দি ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হকের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার জন্য তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করছেন।

শুক্রবার তার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতাকে আটক করেছে পূবাইল থানা পুলিশ।

ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হক অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার সকালে পূবাইল থানা এলাকা থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। মেঘডুবী এলাকা হয়ে দুপুর ১২টার দিকে মাজুখান বাজারে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাংচুর করেন। এ সময় তার সাথে থাকা নেতাকর্মীদের ওপরও হামলা চালিয়ে কালীগঞ্জ থানা মহিলা দলের সভানেত্রী শাহানাজ আক্তার চামেলী, পূবাইল থানা যুবদল নেতা সোহেল রানা, পলাশ রানা ও মেহেদী হাসান আহত করেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শম্পা হক আরও জানান, গণসংযোগের সময় পুলিশ যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতা আওলাদ হোসেন ও মাসুম সরকারকে আটক করে নিয়ে যায়। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার সময় পুলিশ কাছাকাছি থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ক্ষমতাসীনদের হামলা-মামলা ও হুমকি উপেক্ষা করে প্রতিদিনই নির্বাচনী এলাকায় উঠান বৈঠক ও পথসভা করছেন ফজলুল হক মিলনের স্ত্রী শম্পা হক। নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানান।