লক্ষ্মীছড়ির দুর্গম এলাকার ২টি কেন্দ্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও যাবতীয় সরঞ্জামাদি পাঠানো হলো হেলিকপ্টারে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে এসব সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় লক্ষ্মীছড়ি জোন সদরে অবস্থিত হেলিপ্যাড হতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দ্রব্যাদি ও কর্মকর্তাদের তুলে দেয়া হয়। ভোটের ২দিন আগেই নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় বাংলাদেশ সোনাবাহিনী ২৪ পদাতিক গুইমারা রিজিয়নের অধীনে ৮ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী লক্ষ্মীছড়ি জোনের হেলিপ্যাড থেকে সেনা এভিয়েশনের হেলিকপ্টারের সহায়তায় শুকনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফুত্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রেরণ করা হয়।
এসময় সহকারি রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ ইকবাল বলেন, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র আছে ১১টি, ভোটকক্ষ ৩৬টি। দুর্গম ২টি কেন্দ্রে সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌছে দেয়া হলো। কেন্দ্র ২টির সাথে উপজেলা সদরের সাথে কোনো সড়ক যেগাযোগ ব্যবস্থা নেই, এমনকি পায়ে হাটার রাস্তাও উন্নত নয়। যে কারণে হেলিকপ্টারের সহায়তা নেয়া হয়েছে।
এসময় লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, গুইমারা রিজিয়নের জিটু মেজর মইনুল আলম, লক্ষ্মীছড়ি জোনের এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন রায়শাদ রেজা রাতুল উপস্থিত ছিলেন।
সহকারি রির্টানিং অফিসার জাহিদ ইকবাল সাংবাদিকদের আরো জানান, উক্ত কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ছাড়াও ২জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার, ৪জন পোলিং অফিসারসহ ৩জন পুলিশ, ৮জন আনসার ভিডিপি, ৪জন মহিলা ভিডিপি সদস্য নির্বাচনী কাজের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তা হিসেবে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন থাকবে বলে তিনি জানান। উক্ত ২টি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা হলো শুকনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র ৯৩০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৮৪ এবং মহিলা ভোটার ৪৪৬জন। অপরটি হলো বর্মাছড়ি ইউনিয়নে ফুত্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানে ভোটার সংখ্যা ৯৫৫ জন। পুরুষ ভোটার ৫১৩ এবং মহিলা ভোটার ৪৮২জন।
লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসার কিরন বিকাশ চাকমা জানান, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মোট ভোটার ১৮ হাজার ২’শ ৯৯ জন।








