ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, কোনো দোকান-গোডাউনে ঝুঁকিপূর্ণ ২৯টি কেমিক্যাল পাওয়া গেলে লাইসেন্স বাতিল ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দোকান-গোডাউন সিলগালা করে দেয়া হবে।
গতকাল বাবুবাজারে মিটফোর্ড এলাকায় কেমিক্যাল কারখানাগুলোর অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একমত হয়েছি যে, ২৯টি কেমিক্যাল অত্যন্ত দাহ্য। এগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এগুলো থেকে যেকোনো সময় অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। এ দাহ্য পদার্থ যেসব দোকান বা গোডাউনে পাওয়া যাবে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সেসব সিলগালা করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে সেসব ব্যবসায়ীদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যালগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ ইথাইল অ্যালকোহল, আইএসও প্রোপাইল অ্যালকোহল, এমইকে, এমআইবিকে, থিনাইয়ার বি, ডাই এসিটোন অ্যালকোহল ইত্যাদি।
সাঈদ খোকন জানান, এফবিসিসিআই, স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ সবাই একমত হয়েছেন, কমিটি এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন তাদের সবাই সহযোগিতা করবেন। একই সাথে নিয়ম মেনে ব্যবসায় করলে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে।
তিনি বলেন, আমাদের পরিদর্শনের সময় যেসব দোকানে এই ২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ কেমিক্যাল পাওয়া যাবে না, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেড লাইসেন্স ও অন্যান্য সহযোগিতা দেয়া হবে। দোকানদার ও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, যে কেমিক্যালগুলো ঝুঁকিপূর্ণ নয় সেগুলো স্যাম্পল হিসেবে দোকানে সাজাবেন। অতিরিক্ত কেমিক্যাল বোঝাই করবেন না। যেগুলো বিক্রি করবেন সেগুলো আশপাশের বাসাবাড়ি বা গোডাউনে না রেখে, একটু দূরে কোথাও গোডাউন করে রাখবেন। সেখান থেকে সাপ্লাই দেবেন।
এ দিকে গতকাল অভিযানকালে রিপন পারফিউমারি অ্যান্ড কেমিক্যাল, উম্মে হানি পারফিউমারি অ্যান্ড কেমিক্যাল, মডার্ন পারফিউমারি অ্যান্ড কেমিক্যাল, আমীন পারফিউমারি অ্যান্ড কেমিক্যাল এবং সজিব কেমিক্যাল এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন করে দেয়া হয়।