সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে তালাক দেয়া স্ত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রাক্তন স্বামী ট্রাক চালক মুমিন ও তার বন্ধু বদরুলকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ জুন) তাদেরকে আটক করা হয়।
এর আগে শনিবার (২২ জুন) রাতে জৈন্তাপুর উপজেলার একটি হাওরে এই পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারীর মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার ভোর রাত থেকে ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রাক্তন স্বামী মুমিন ও তার বন্ধু বদরুলকে আটক করেছে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম ও তার ১২ বছর বয়সী ছেলে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দরবস্ত বাজারে চিকিৎসা নিতে গেলে সাবেক স্বামী মুমিন জরুরি কথা আছে বলে তাদের ছেলেকে একটি মিশুক গাড়িতে তুলে নানা বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরে ভিকটিমকে অন্য একটি গাড়িতে করে দরবস্ত ইউনিয়নের খড়িকাপুঞ্জি গ্রামের একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে যায়। যেখানে পূর্ব থেকেই অপর দুই অভিযুক্ত অবস্থান করছিল। সেখানে দুপুর দেড়টা থেকে শুরু করে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তিনজন অভিযুক্ত পালাক্রমে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে ফেলে যায়।
গভীর রাতে ভিকটিম তামাবিল মহাসড়কে এসে একটি মিশুকযান নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ও রোববার জৈন্তাপুর মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে পুলিশের সহায়তা নেন।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর থানার ওসি আবুল বাশার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান জানান, সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের মৌখিক অভিযোগ পেয়েই ভোর বেলায় ছদ্মবেশে অভিযানে নামে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের একটি টিম। প্রথমে দরবস্ত এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত মুমিনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মুমিনের বন্ধু বদরুলকে আটক করা হয়। আরো এক অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।








