সামান্য বৃষ্টিতেই উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ হতে ভোলাহাট মেডিক্যাল মোড় পর্যন্ত সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। তাতে চলাচলে দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। দুর্ভোগ কমাতে রাস্তাটি পুনঃসংস্কারের সাথে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। পরে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ড্রেন ও রাস্তার নির্মাণকাজ শুরু হয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়। শুধুমাত্র ড্রেনের কাজে ব্যয় হয় ১ কোটি ৫৮ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ টাকা। সরকার জনস্বার্থে এত টাকা ব্যয় করলেও জলাবদ্ধতা কাটেনি মোটেও।
স্থানীয় এক মুদি ব্যবসায়ী শাহীন বলেন, সরকার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেন নির্মাণ করে দিলো জনগণের দুর্ভোগ কমাতে। কিন্তু সেই দুর্ভোগ রয়েই গেল। অপর বাসিন্দা টিপু বলেন, আমার বাড়ি রাস্তার পূর্ব পাশে মসজিদ রাস্তার পশ্চিম পাশে। জলাবদ্ধতার কারণে মসজিদে নামাজ আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।
ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ড্রেন রাস্তা নির্মাণ করেছে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে সঠিক পরিকল্পনা না করে অপরিকল্পিত ড্রেনের ডিজাইন করায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। অল্প বৃষ্টিতে পূর্বের মতো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের জানান, অল্প পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পথচারীরা। এলাকাবাসী এ জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে চায়। অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণে সরকার অর্থ ক্ষতি করায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ভোলাহাটে কাটেনি জলাবদ্ধতা
সামান্য বৃষ্টিতেই উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ হতে ভোলাহাট মেডিক্যাল মোড় পর্যন্ত সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। তাতে চলাচলে দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। দুর্ভোগ কমাতে রাস্তাটি পুনঃসংস্কারের...











