সুনামগঞ্জের শাল্লার হাওরে ধমকা হাওয়ার কবলে পড়ে নৌকাডুবিতে দুই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তারা উপজেলার মির্জা কান্দা গ্রামের মিশু মিয়ার কিশোরী মেয়ে চাদনী বেগম (১৬) ও ইব্রাহিম আলির মেয়ে সাবিনা বেগম (১৭)।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভেড়ামোহনা হাওরের চাপ্টা বিলে ধমকা হাওয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায় সাথে থাকা অন্যদের এলাকাবাসী উদ্ধার করলেও তখন দুই কিশোরীকে পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকাল ১১টার পর স্থানীয় বাসিন্দারা চাপ্টা বিল এলাকায় ভাসমান অবস্থায় দুই কিশোরীর লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে।
এলাকাবাসী ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল বেলা শাল্লা উপজেলার মির্জা কান্দা গ্রামের ইব্রাহিম মিয়া ও মিশু মিয়ার পরিবারের ১০ জন নারী পুরুষ পার্শবর্তী কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার গজারিয়া গ্রামের আত্মীয় বাড়ির দাওয়াত খেয়ে ইঞ্জিন চালিত খোলা নৌকায় বাড়ি ফিরছিলেন। সন্ধ্যা বেলা ভেড়ামোহনা হাওরের চাপ্টা বিল এলাকায় হঠাৎ ধমকা বাতাসের কবলে পড়ে তাদের নৌকাটি ডুবে যায়। এ দৃশ্যটি দেখে মির্জা কান্দা ও পাশের গ্রামের লোকজন গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও চাদনী বেগম ও সাবিনা বেগমকে রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার সকাল ১১টার পরে চাপ্টা বিলের কাছে দুই কিশোরী মেয়ের ভাসমান লাশ দেখে থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে শাল্লা থানার এসআই আনোয়ার হোসেন দুই লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করেন।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুর আলম নৌকাডুবির ঘটনায় হতাহতের সত্যতা নিশ্চিত করে নয়া দিগন্তকে বলেন, মৃত দুই কিশোরীর পরিবারের অনুরোধে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মোক্তাদির হোসেনের নির্দেশনায় উদ্ধারকৃত দুটি লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।





