ভোলাহাট-রহনপুর সড়কে মৃত্যুভয় নিয়ে যাতায়াত করছেন স্থানীয়রা। চলাচলকারী যানবাহনে উঠলেই আতঙ্ক তাড়া করছে স্থানীয়দের। ভোলাহাট উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের সবজি চাষি এহেসান আলী বলেন, আমি বেগুন, পেঁপে, পটল চাষ করি। জমি থেকে ফসল তুলে ভোলাহাট-রহনপুর সড়ক দিয়ে অটো বা ভ্যানে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাই। এ সড়কটি দীর্ঘ দিন ধরে ভেঙে থাকায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় মালবাহী গাড়ি উল্টে অনেক সময় ফসল নষ্ট ও নিজে আহত হচ্ছি। তিনি বলেন, আমি একমাত্র পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ভাঙা সড়কে ফসল বিক্রি করতে বের হয়ে লাশ হয়ে ফিরলে পরিবারের নির্ভরশীল পাঁচজন সদস্যকে পথে বসতে হবে। তিনি ভোলাহাট উপজেলার মানুষের নাগরিক অধিকার ভাঙা সড়কটি সংস্কার করে চলাচল উপযোগী করে দুর্ভোগ কমানোর দাবি জানান।
দলদলী ইউনিয়নের সবজি চাষি মোহাম্মদ শামীম জানান, ক’দিন আগে ভোলাহাট-রহনপুর সড়ক দিয়ে মেডিক্যাল মোড় থেকে সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফেরার সময় সরু রাস্তায় ট্রাক পারাপারের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অণ্ডকোষে আঘাত পেয়ে আহত হয়ে বাড়িতে অসহায় অবস্থায় পড়ে আছি।
অটো চালক মোহাম্মদ মুক্তার বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোরে আলীমোড়ে রাস্তা ভেঙে থাকায় অটো উল্টে যাত্রী ও আমি জানে বেঁচে গেছি।
উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল কাদের অভিযোগ করেন বলেন, ভোলাহাট-রহনপুর মাত্র ২১ কিলোমিটারের সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তাটিতে পথচারিদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যুগের পর যুগ পার হলেও সড়কটি নির্মাণে কোনো পদক্ষেপই নেয়া হচ্ছে না। ভাঙাচোরা এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে বুক কাঁপে। উপজেলার এই সড়কটি মেরামতের কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। উপজেলার একমাত্র ভরসা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি পুনর্নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।