সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর লাশ উখিয়া থানা পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে তার লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়।
এদিকে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্যাম্পে পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের টহল বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাইমুল হক।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় উখিয়া থানা পুলিশকে মুহিবুল্লাহর লাশ হস্তান্তর করা হয়। এসময় মুহিবুল্লাহর পরিবাবের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘আমরা লাশ নিজ এলাকা উখিয়া কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছি। সাথে পুলিশ রয়েছে। মুরব্বীদের পরামর্শে সময় নির্ধারণ করে ক্যাম্পে জানাজা সম্পন্ন করা হবে।’
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ এফডিএমএন ক্যাম্প-১ ইস্টের ব্লক-ডি ৮-এ বসবাস করতেন। তিনি আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান জানিয়েছেন, বুধবার এশার নামাজের পর কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজ কার্যালয়ে অবস্থানকালে অজ্ঞাতনামা বন্ধুকধারীরা মোট পাঁচটি গুলি করে। এতে তিনটি গুলি তার বুকে লাগে। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ক্যাম্পে পুলিশ ও এপিবিএন সদস্যদের টহল বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে এশার নামাজের পর মুহিবুল্লাহ এআরএসপিএইচের অফিসে থাকাকালীন ২০/২৫ জনের একটি বন্দুকধারী দল তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।








