বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে শম্পা আক্তার (১৫) নামে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে। সারিয়াকান্দি পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী শম্পা নারচী ইউনিয়নের কুপতলা উত্তর পাড়ার আবুল হোসেনের মেয়ে।
রোববার গভীর রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
শম্পার বোনের স্বামী ওয়াসিম মিয়া জানান, গত দেড় মাস আগে তার শ্যালিকার বিয়ে হয় গাবতলীর শাহিন মিয়ার সাথে। গত রোববার বিকেলে কীটনাশক পানের সংবাদ পেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে শম্পাকে সারিয়াকান্দি উপজেলা হাসপাতালে ও পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে শম্পা মারা যায়।
সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাকি মো: জাকিউল আলম ডুয়েল জানান, শম্পা মেধাবী ছাত্রী ছিল। করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাস দেড়েক আগে মেয়েটিকে তার পরিবারের লোকজন বয়স্ক পাত্রের সাথে বিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার সুবাদে বিয়ে হয়ে যায় তার। তবে স্কুল খোলার পর সোমবার দুপুরে পরিবার সূত্রে আত্মহত্যার বিষয়টি জানা যায়।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, শম্পা নামের একটি মেয়ে বিষপান করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ ব্যাপারে কারো কোনো অভিযোগ নেই বলে পুলিশকে জানানো হয়েছে।








