ইমতিয়াজ ছিদ্দিকী প্রিন্স, রামু (কক্সবাজার)

কক্সবাজার রামুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাজ্জাদ জাহিদ রাতুলের সাথে বন কর্মকর্তার মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। হিমছড়ি টহল ফাঁড়িতে দক্ষিণ বন বিভাগের নির্মিতব্য সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির ভবনের জায়গা নিয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এনিয়ে সাধারণ মানুষজনের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেয়া গেছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে হিমছড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে অ্যাসিল্যান্ড রাতুল কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের এক রেঞ্জ কর্মকর্তাকে উত্তেজিত অবস্থায় বলতে শোনা যায়, ‘আপনি কে? আমাকে কথা বলা শিখাচ্ছেন? আমাকে কীভাবে কথা বলতে হবে আপনার কাছে শিখতে হবে?’

এ ঘটনায় রোকনজ্জামান রোকন নামে এক বন কর্মকর্তা নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘একজন সরকারি কর্মচারী আরেকজন সরকারি কর্মচারীকে এভাবে কথা বলার এখতিয়ার কিংবা অধিকার রাখে কি না জানা নেই।’

কক্সবাজার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাংবাদিক জসিম উদ্দিন ফেসবুকে লেখেন, ‘কক্সবাজারে হাজার হাজার একর খাস ও বনভূমি দস্যুদের দখলে—তবু সেসব উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ নেই। কিন্তু ছোট্ট এক টুকরো জমি নিজেদের মালিকানা দাবি করে রামুতে উপজেলা প্রশাসন ও বন কর্মকর্তারা মুখোমুখি সঙ্ঘাতে!’

রামু উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অ্যাসিল্যান্ড সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য ছিল খাস খতিয়ান জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি, বনবিভাগ সেটি নির্মাণের অনুমতি দেয়। যেখানে রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। পরে বন বিভাগের অফিসে গিয়ে কাউকে না পেয়ে ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ উপেক্ষা করেই বনবিভাগের কর্মকর্তারা কাজ করতে বলে।’

তিনি আরো বলেন, ‘খবর পেয়ে আবারো সেখানে গিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উচ্ছেদ অভিযানে গেলে তারা বাধা দেন। এ সময় তর্ক হয়। এ ঘটনায় ইউএনও মহোদয়ের সাথে আলাপ করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।’