কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চলমান বন্যায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়েছে। ভেঙে গেছে অনেক রাস্তা-ঘাট। ভেসে গেছে ৪১২টি পুকুরের মাছ। কষ্টে আছে মানুষ ও গৃহপালিত পশু।
উজানের ঢলে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে বামনডাঙ্গা, রায়গঞ্জ, বেরুবাড়ি, কালীগঞ্জ, নুনখাওয়া, নারায়ণপুর, কেদার, কচাকাটা, বল্লভেরখাস ইউনিয়নের বেশিরভাগ, পৌরসভার পূর্ব সাঞ্জুয়ারভিটাসহ কিছু এলাকা। পানির তোড়ে ভেঙে গেছে দুধকুমারের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। তলিয়ে গেছে বন্যার্ত এলাকার সকল কাঁচা-পাকা সড়ক। ডুবে গেছে টিউবওয়েল।
উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত ভেসে গেছে ৪১২টি পুকুরের মাছ।
পানি বৃদ্ধির হার এতটাই বেশি যে গৃহপালিত পশু নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার আগেই পানি ঢুকে পড়ে অনেক ঘর-বাড়িতে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে মানুষ।
তবে শনিবার সকাল থেকে পানি কিছুটা স্থির অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় অনেকেই ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র। যারা বাড়িতে আছে, তারা বিশেষ প্রয়োজনে কলাগাছের ভেলায় যাতায়াত করছে।
বন্যার্ত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট, ফুরিয়ে যাচ্ছে শুকনা খাবারের মজুদ। বাড়ছে পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা। এ অবস্থায় পানিতে ভেসে থাকা মানুষদের বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
একই অবস্থা গৃহপালিত পশুর ক্ষেত্রেও। ডুবে আছে তৃণভুমি, নিমজ্জিত শুকনা খর। খাবার সঙ্কটে তারাও।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম জানান, বানভাসীদের জন্য ইতোমধ্যে ৫৬ টন জিআর চাল ও আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা বিতরণ করা হচ্ছে।





