চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি শূন্য পদের নিয়োগে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে মাদরাসা সুপার ও সহ-সুপারকে অফিস কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা। সোমবার উপজেলার ময়ামারি দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে দু’জনকে উদ্ধার করে।
অবরুদ্ধ দু’জনকে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল পাশা। তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়ার পর অবরুদ্ধ সুপার ও সহ-সুপার পুলিশের মাধ্যমে মুক্ত হন।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি শূন্য পদে নিয়োগের টাকা মাদরাসার উন্নয়ন তহবিলে জমা দেয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। মাদরাসার সভাপতি মোসলেম উদ্দিন ও সুপার নুরুল ইসলাম ৩০ লাখ টাকার মধ্যে মাত্র সাড়ে ৪ লাখ টাকা মাদরাসার তহবিলে জমা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুপার নুরুল ইসলাম ও সহ-সুপার আজিজুল ইসলামকে অফিস কক্ষে তালা মেরে অবরুদ্ধ করে রাখেন এলাকার লোকজন। এ সময় মাদরাসার উন্নয়নে কাজ করার জন্য মাদরাসার তহবিলে বাকি টাকা জমা দেয়ার দাবি জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হালিম টুটুল বলেন, তিনটি পদে নিয়োগ দিতে তৎপরতা শুরু করেন মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, সুপার ও সহ-সুপার। গত ২৭ মে তিন প্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়ে নিয়োগ দেন তারা।
সাইরুল ইসলাম নামের আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, আমরা মাদরাসার দাতা সদস্য। এখনো মাদরাসা আমাদের প্রায় ১৫ লাখ টাকার জমি কাগজপত্র ছাড়াই ভোগ করছে। জমির বিনিময়ে আমার ছোট ভাইয়ের চাকরি দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু কমিটি টাকার বিনিময়ে অন্যজনকে নিয়োগ দিয়েছে এবং আমাদের জমিও বুঝিয়ে দিচ্ছে না। ওই টাকা মাদরাসার ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়ার কথা থাকলেও তারা দেননি।
এ বিষয়ে মাদরাসা সুপার নুরুল ইসলাম ও সহ-সুপার আজিজুল ইসলাম কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মুসলিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
ভোলাহাটে নিয়োগের টাকা আত্মসাৎ : মাদরাসার সুপার তালাবদ্ধ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি শূন্য পদের নিয়োগে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে মাদরাসা সুপার ও সহ-সুপারকে অফিস কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা। সোমবার...





