রংপুরের মিঠাপুকুরে সন্ত্রাসীদের ভয়ে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক সাবেক সেনাসদস্য ও তার পরিবার। সন্ত্রাসীদের চাপের মুখে ওই সেনাসদস্য নিজস্ব জমি চাষাবাদ করতে পারছেন না এবং থাকতে পারছেন না বসতভিটায়। তার পরিবারের লোকজনও সন্ত্রাসীদের ভয়ে নিদারুণ কষ্টে দিন যাপন করছেন। এ ছাড়াও মামলা-হামলার ভয়ে এলাকায় যেতে পারছেন না সাবেক সেনাসদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলায় বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়নের খিয়ার পাড়ার ফকিরপাড়া গ্রামে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত শনিবার মিঠাপুকুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনাসদস্য আলী আহম্মদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে মামলা- মোকদ্দমা চলে আসছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা এক মামলায় ২০০৬ সালে আদালত আমার পক্ষে রায় দেন। সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎ করে সাড়ে তিন মাস আগে স্থানীয় আরিফুল ইসলাম লুলু, রাশেদুল ইসলাম, সেরাজুল ইসলাম, রব্বানী মিয়া, সাইফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলামসহ ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আমার ও আমার পরিবারের লোকজনের ওপর নির্যাতন চালাতে শুরু করে। ইতঃপূর্বে হামলা চালিয়ে আমার বাড়িঘর ভাঙচুরও করেছে তার। তাদের হামলার ভয়ে আমি প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা আমার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। তাদের দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় তারা আমার পরিবারের লোকজনকে জমি চাষাবাদ করতে দিচ্ছে না। তাদের ভয়ে আমার ছেলেমেয়ে স্কুল-মাদরাসায় যেতে পারছে না। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করলে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। জামিনে বেরিয়ে এসে আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
সংবাদ সম্মেলনে আলী আহম্মদের ভগ্নিপতি সার্জেন্ট লাল মিয়া বলেন, আদালতে মামলার রায় হয়েছে। সেই রায়কে বেদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্র আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
এ ব্যাপারে মিঠাপুকুর থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এ ঘটনায় আলী আহম্মদ একটি মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মিঠাপুকুরে সন্ত্রাসীদের ভয়ে পরিবার নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সাবেক সেনাসদস্য
রংপুরের মিঠাপুকুরে সন্ত্রাসীদের ভয়ে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক সাবেক সেনাসদস্য ও তার পরিবার। সন্ত্রাসীদের চাপের মুখে ওই সেনাসদস্য নিজস্ব...





