রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কয়েরমারী গ্রামের এক আদিবাসী সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমির ধান কেটে নিয়ে তাদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
শনিবার দুপুরে মিঠাপুকুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলার বালারহাট ইউনিয়নের কয়েরমারি গ্রামের নয়টি আদিবাসী পরিবার এসব অভিযোগ করেন।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নগেন খালকো, বিশ্বা মিন্জি, ধেরেন মিন্জি, হেমবাবু খালকো, শিতা রানি, আপন খালকো, কল্পনা কুজুর, বুদনি কুজু এবং তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যটি পাঠ করেন মাহদেব উড়াও।
দখল করা জমিগুলো ফসল কেটে তারা পিকনিক করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন আদিবাসীরা। এছাড়া জমিগুলো ফিরে পেতে চাওয়ায় আদিবাসীদের হত্যার হুমকিসহ মারপিটের স্বীকার হয়েছেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ‘আমি সংখ্যালঘু আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। কয়েরমারী মৌজার জেএল নং ২২৪ আর এসবিএস খতিয়ান ৩২১ আরএসবিএস দাগ নম্বর-১৭৫, জমি ১০০ শতক ১৮০ দাগের ২২ শতক মোট জমি ১ একর ২২ শতক জমি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমি দস্যু কামরুল হাসান, লিটু মিয়া, পল্লী চিকিৎসক হাফিজার রহমান, নুর ইসলাম, দুলাল চৌধুরী চান, দুলাল মিয়া, শাহালম গায়ের জোরে বেদখলের পায়তারা করছে। আমি বাধা দেয়ার চেষ্টা করায় সন্ত্রাসীরা আমাকেসহ আমার স্ত্রীকে কয়েক দফা বেধড়ক মারপিট করে ডান পা পঙ্গু করা-সহ ছুরিকাঘাত করে জীবন নাশের চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে আমার দায়ের করা মামলা বিচারাধীন আছে।
এছাড়াও তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা ১৫ থেকে ২০ দিন আগে আমার জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নেয়া-সহ আমাকে জানে-প্রানে শেষ করার হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের সকল মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।





