লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গত শুক্রবার গভীর রাতে একটি বাঁশ-কাঠের সেতু ভেঙে রাতারাতি দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু এসপির বিরুদ্ধে। কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
রাত প্রায় ১টার দিকে সেতু ভাঙার শব্দ ও কোলাহলে আশপাশের বাসাবাড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিলে দেলু এসপির লোকজন তাদেরকে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখায়। এ দিকে সেতু ভেঙে দোকান নির্মাণ করায় চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্কুলকলেজগামী শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু এসপি বলেন, ঘাটলার ওই জায়গাটি ২০১৫ সালে আমি বন্দোবস্ত নিয়ে খাজনা পরিশোধ করে আসছি। সেখানে সেতু নির্মাণ করে আমার জায়গাটি এতদিন দখল করে রাখা হয়েছিল। আমি আমার জায়গাটি এবার দখলমুক্ত করেছি। নিজের নামে বন্দোবস্ত পাওয়া জমি কেন রাতের আঁধারে উদ্ধার করতে হবে- এমন প্রশ্নের কোনো যৌক্তিক জবাব দিতে তিনি রাজি হননি।
রামগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল ইকবাল জানান, আমি ঘটনাটি লোক মারফত জেনেছি। ঘটনাস্থলে সরেজমিন তদন্ত করে অবশ্যই বিধি মতো ব্যবস্থা নেবো। এ ছাড়া আমাদের সার্ভেয়ার কাগজপত্র যাছাই করে ওই খাল ও ঘাটলার জায়গার প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে কাজ করছেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার জানান, আমি খবর নিয়ে জেনেছি সেখানে দু’টি গ্রুপের মধ্যে বিবাদ রয়েছে। আমরা সরেজমিন তদন্ত করব। শত শত মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমরা কাজ করব।