রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার যত্রতত্র জটিল ও কঠিন রোগাক্রান্ত গরু জবাই করে তার গোশত বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতারা না বুঝে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা কমে পেয়ে ওই সব গোশত কিনছেন। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
জানা গেছে, এক শ্রেণির গোশত ব্যবসায়ী বিভিন্ন এলাকা থেকে জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত মৃতপ্রায় নামমাত্র দামে গবাদি পশু কিনে রাতের আঁধারে বাড়িতে এনে জবাই করে ফ্রিজে রেখে হাটবাজার ছাড়াই বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে বাজার মূল্যের চেয়ে কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি করছেন। নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত হাটবাজারে গবাদি পশু জবাই করে তার গোশত বিক্রি করতে কোনোপ্রকার বাধা নেই।
কিন্তু ওই সব নিয়মনীতি উপেক্ষা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই মিঠাপকুর উপজেলার বুজরুক সন্তোষপুর মরাহাটি হাট-বাজার, কেশবপুর হাটবাজার, বালুয়া হাটবাজারসহ প্রায় অর্ধশত স্থানে রোগাক্রান্ত গরুসহ গবাদি পশু জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে তার গোশত।
মিঠপুকুর উপজেলার গোশত ব্যবসায়ী আবদুর রহিম বলেন, বাজারে গবাদি পশুর যে মূল্য তাতে প্রতি কেজি গরুর গোশত ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা হয়। কিন্তু সেখানে যদি কেউ কম দামে গোশত বিক্রি করে তাহলে বুঝতে হবে গোশত কেমন। আমাদের জানা মতে, ওইসব গোশত রাতের আধারে মিঠাপুকুরের বিভিন্ন হোটেল ও পাশের রংপুর সদরের বাজারে সরবরাহসহ এলাকায় বিক্রি করা হয়। রোগাক্রান্ত গরুর গোশত খেয়ে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁঁকিতে আছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন নীরব বলে তিনি অভিযোগ করেন।